মালদা-হরিশ্চন্দ্রপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে বন্যাত্রানের জন্যে আসা ১০কোটি টাকার সবটাই গায়েব। অথচ বন্যায় বিপর্যস্তরা কেউই পেলেন না কোনো আর্থিক সাহায্য। তৃণমূল পরিচালিত এই পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের সহসভাপতি সহ কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে এই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছে তৃনমূল-ই।

এই বিশাল অঙ্কের দুর্নীতির সঙ্গে নাম জড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি তজমুল হক এবং তার ভাইয়ের। আর সেই দুর্নীতির তদন্ত করতে এসে ক্ষোভের মুখে বিপর্যয় মোকাবিলার একটি বিশেষ দল। পুলিশের সাহায্যে তারা কিছু তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে গেলেও পরে একদল তৃণমূল কর্মী সমর্থক এসে ভাংচুর চালায় পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তরে। সেখানে বসেই মদ মাংস খেয়ে তান্ডব চালায়।


শুধু তাই নয়, যাদের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়েছে সেই তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দের ওপর হামলা চালায় এই তৃণমূল কর্মী সদস্যরা। তৃণমূলের-ই পদাধিকারী বেশ কিছু নেতা নেত্রীর
অভিযোগ ২০১৭ সালের বন্যায় ১০কোটি টাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যে পাঠায় রাজ্য সরকার। লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই টাকা বিলি শুরু হয়। দেখা যায় সেই সব টাকা কোনো ক্ষতিগ্রস্তদেরই দেওয়া হয় নি।তদন্তে নামে ডিভিশনাল কমিশনার। দেখা যায়, ২কোটি ৫৪লক্ষ টাকাই দেওয়া হয়েছে বহিরাগত বিভিন্ন একাউন্টে। টাকা জমা হয়েছে বিহার, ঝাড়খণ্ড কলকাতার বহু একাউন্টে। জানা যায় তৃণমূলেরই কয়েকজন সদস্য এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এরপরেই এই সব সদস্য আজ হামলা চালায়।তাদের আরও অভিযোগ একদল দুস্কৃতী এই এলাকায় তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। তারা নিয়মিত তান্ডব চালাছে। খুন, ছিনতাই অপহরণ সহ বহু অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এই দুর্নীতির সঙ্গেও এরা জড়িত। ওদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে গেলেই হামলার ভয় আছে। ওরাই পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তরে বসে প্রকাশ্যে মদ খেয়ে তান্ডব চালায়। সঙ্গে অস্ত্রও ছিল বলে অভিযোগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here