নিউজ ডেস্ক – যেদিকে তাকানো যায় শুধু মৃতদেহ, কফিন। ঘরে বাইরে পচছে দেহ। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এক্যুয়াডোরের জমজমাট শহর গুয়াইয়াকিলের চিত্রটা কিছুটা এরকমই। করোনাভাইরাসের আক্রমণের ফলে দক্ষিণ আমেরিকায় সবথেকে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই এক্যুয়াডোরেই। স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশ কিছু মৃতদেহ বাড়িতেই পচে যাচ্ছে। দেশের বহু মানুষ করোনায় আক্রান্ত এখনও ভর্তি আছেন গুয়াইয়াকিলের একটি হাসপাতালে।রাস্তাঘাটে যেখানে নজর যাবে, সেখানেই চোখে পড়বে কফিন।যে দ্রুত হারে করোনা আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এক্যুয়াডোরে তা নিয়ে একপ্রকার চিন্তায় সে দেশের সরকার।

প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে এত দ্রত হারে রোগ সংক্রমণ নিয়েও। এরই মাঝে আবার গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে কফিনবন্দি দেহ। কোনও কবরস্থানই এখন আবার মৃতদেহও নিতে চাইছে না।

গুয়াইয়াকিলের ওই হাসপাতালে থিকথিক করছে রোগীর ভিড়। একই সঙ্গে বেশ কিছু চিকিৎসকের শরীরেও Covid-19 এর উপসর্গ মিলেছে। বেশ কিছু কফিন গুয়াইয়াকিলে চলে এসেছে মৃতদেহগুলিকে মর্গে পাঠানোর জন্য। 

করোনায় বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। আর মারণ এই ভাইরাসের মোকাবিলায় লকডাউন প্রায় বিশ্বের সর্বত্রই। লকডাউন চলছে দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশ এক্যুয়াডোরেও। দেশের প্রধান শহর গুয়াইয়াকিলের রাস্তাঘাট এক্কেবারে শুনশান। জনমানবহীন। দু-চারটে লোক দেখা গেলেও তাঁরা খুবই প্রয়োজনে পড়েই তবে বাড়ির বাইরে বেরিয়েছেন।
আর এর প্রমাণ সবথেকে বেশি মিলছে গুয়াইয়াকিলের রাস্তাঘাট লক্ষ্য করলে। ইতিউতি নজর ঘোরাবে কফিন। করোনায় সে দেশে কারও মৃত্যু হলে মৃতদেহ বয়ে কবরস্থান অবধি নিয়ে যাওয়ার আর লোক নেই। তাই মানুষজন রাস্তাঘাটেই ফেলে যাচ্ছেন কফিনবন্দি দেহ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here