নিউজ ডেস্ক- মিড-ডে মিলের চাল, আলুর সাথে মুড়ি, বিস্কুট, সাবান দেওয়ায়, শোকজ প্রধানশিক্ষককে। চাল, আলুর বাইরে পড়ুয়াদের জন্য কেন বাড়তি জিনিস দেওয়া হল তার কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে।এমন কাণ্ডে হতবাক শিক্ষামহল।


দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমগাছিয়া লালবাহাদুর এফপি স্কুল। মিড-ডে মিলের চাল ও আলুর সঙ্গে এখানে বাড়তি বিস্কুট, সাবান এবং মুড়ি কিনে দেন শিক্ষকরা। বিষ্ণুপুর-১ নম্বর সার্কেলের এসআই টিচার ইনচার্জকে শোকজ করেছেন। সোমবারের মধ্যে সেই চিঠির জবাব তলব করেছে জেলা স্কুলশিক্ষা দপ্তর।

নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা সমিতি ঘটনার নিন্দা করে সরকারকে মানবিক হতে আবেদন করেছে। সংগঠনের সভাপতি দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন, “সরকারি আধিকারিকদের দাবি বরাদ্দের বাইরে কিছু দিলে একটা ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে। যে স্কুলে শুধু চাল, আলু দেওয়া হবে না সেখানে ক্ষোভ দেখা দিতে পারে। এই যুক্তির পরও আমরা শোকজ করা অনুচিত বলে মনে করছি।”


শুক্রবার পাঠানো চিঠিটি পরেদিন সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে। বিষ্ণুপুর ছাড়াও আরও কিছু স্কুলে একই কাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে ভর্ৎসনার শিকার হচ্ছেন শিক্ষকরা। নিন্দার ঝড় সর্বত্র। শিক্ষকরা বলছেন, “আমরা অনেক সময় ছাত্রছাত্রীদের খাতা, পেন কিনে দেই। তা করলেও কী শোকজ করা হবে?” করোনা সতর্কতার অন্যতম অঙ্গ হিসাবে চিকিৎসকরা বারবার হাত ধোওয়ার কথা বলেছেন। স্কুলের শিশুদের এই বিষয়ে বেশি করে সতর্ক করা হয়েছে। শিক্ষকদের বক্তব্য, “যাঁরা দিনমজুরি করেন লকডাউনে তাঁদের কাজ নেই। এই কারণে সরকারি চাল, আলুর পাশাপাশি আমরা সাবান, মুড়ি ও বিস্কুট কিনে দিচ্ছি। কিন্তু তা যে বেআইনি হতে পারে তা স্বপ্নেও কল্পনা করিনি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here