নিউজ ডেস্ক – করোনা আবহের মধ্যেই ভোটের দামামা বেজে গেছে।সামনেই দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোট।মহামারীর জেরে ভোট গ্রহণ পদ্ধতির খোল নলচে বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ১০০০ জনের বেশি ভোটার একটি বুথে ভোট দিতে পারবেন না। সেকারণে বুথের সংখ্যাও বিপুল হারে বাড়ানো হচ্ছে। সেই মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সাজানো হবে। মাস্ক, স্যানিটাইজার, সামাজিক দূরত্ব বিধি সবকিছুই ঢেলে সাজাবে বুথে বুথে।


বিহারে ভোট নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই হবে। হাতে আর বেশি সময় নেই। এরমধ্যে করোনা সংক্রমণ যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে ভোট কীভাবে হবে এই নিয়ে চিন্তায় পড়েছে নির্বাচন কমিশন। অবশেষে কেন্দ্রের প্রস্তাব মেনেই নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বিহারের নির্বাচন কমিশন তাতে বলা হয়েছে ৬৫ বছরের উর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিক এবং করোনা আক্রান্ত রোগীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। বিহারে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর পশ্চিমবঙ্গেও এই নিয়ম কার্যকর করা হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল প্রবীণ নাগরিক অর্থাৎ ৬০ বছরের উর্ধ্বে যাঁরা তাঁদের করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি। দেশে তাঁরাই বেশি সংক্রামিত হচ্ছেন এবং করোনা ভাইরাসে মারা যাচ্ছেন। সেকারণে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরোতেও নিষেধ করা হয়।
তাই,দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়ার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য। আগে কেবল ভোটকর্মী এবং ভোটের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিস প্রশাসনই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারতেন। কেন্দ্রের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয় ৬৫-র উর্ধ্বে থাকা ভোটাররা এবং করোনা আক্রান্ত রোগী এবং কোয়ারেন্টাইনে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হোক। এতে অনেকটাই সুবিধা হবে।কেন্দ্রের এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে বিহারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই পদ্ধতি মেনেই নির্বাচন করাতে চলেছে। আর করোনা পরিস্থিতি এমনই থাকলে আগামীতে পশ্চিম বঙ্গেও একইভাবে ভোট করানোর সম্ভাবনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here