মালদা- সরকারি দফতরেই তৃণমূল নেতার হাতে বেধড়ক মার খেলেন পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধানের স্বামী। হেনস্তার শিকার মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানও। জোর করে প্রধানকে দিয়ে ১০০ দিনের কাজের মাস্টাররোলে সই করাতে বাধ্য করতে না পেরেই এমন হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার মানিকচকে।

অভিযোগ পরিচালিত প্রধান কে নিজ, স্বার্থে বেআইনি কাজ করতে চাপ দেন তৃণমূল নেতা। তৃণমূল নেতার কথামতো কাজ করতে রাজি না হওয়ায় বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে মারধর। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাজকুমার মন্ডল। তিনি তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষের স্বামী এবং এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। অভিযোগ সোমবার সন্ধ্যায় মানিকচক বি এল আর ও অফিসের ভেতরে বিজেপি পরিচালিত নাজির পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা সরকারের স্বামী সুজয় গোস্বামী কে ব্যাপক মারধর করেন ।ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নাজির পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা সরকারও। তাকেও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ ।প্রধানের অপরাধ দাপুটে তৃণমূল নেতা রাজকুমার মন্ডল এর কথা মতো তার এলাকার ১০০ দিনের কাজের মাস্টাররোলে সই করেননি প্রধান। প্রধান পম্পা সরকার সাফ জানিয়েছিলেন বেআইনিভাবে মাস্টার রোলে তিনি কোনমতে সই করবেন না ।আর তারই মাশুল গুনতে হলো প্রধানের স্বামীকে। একেবারে জনসমক্ষে চলল মারধর ।কেন মাস্টার রোলে সই করেনি প্রধান এই অভিযোগ তুলে রাজকুমার মন্ডল সহ বেশ কয়েকজন চড়াও হয় বিজেপি প্রধানের স্বামী সুজয় গোস্বামীর উপর। চলে মাটিতে ফেলে ব্যাপক চড়, ঘুষি ,লাথি ।পরে স্থানীয় মানুষজন উদ্ধার করে প্রধানের স্বামীকে ।আহত প্রধানের স্বামীকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার বিবরণ জানিয়ে রাজকুমার মন্ডল সহ দুই জনের বিরুদ্ধে মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here