মালদা- মুর্শিদাবাদের পাশাপাশি মালদাতেও তৎপর হয়ে উঠল এনআইএ। ইতিমধ্যেই মালদা জেলার বেশ কয়েকটি ব্লক এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে NIA, এমনই খবর জানা গিয়েছে।এমনকি এও শোনা যাচ্ছে,মুর্শিদাবাদে ধৃতদের কাছ থেকে পাওয়া ২২ জনের যে হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ রয়েছে তারমধ্যে মালদা জেলারও কিছু জন রয়েছে।


উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে শনিবার ৬ সন্দেহভাজন আল-কায়দা জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। রবিবার বিধাননগরে এনআইএ’র দপ্তরে তাদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে এনআইএ’র কর্তারা ছাড়াও হাজির ছিলেন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের গোয়েন্দারা। এছাড়া কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।


এনআইএ সূত্রের খবর, জেরার মুখে পড়ে জঙ্গিরা আল-কায়দার সঙ্গে তাদের যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে। সেই সঙ্গে ধৃতরা জানিয়েছে, পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা আল-কায়দার শীর্ষ নেতাদের নির্দেশ মতোই তারা কাজ করত। ধৃতদের অন্যতম কাজ ছিল, টাকা জোগাড় এবং তাদের সংগঠনের জন্য লোক সংগ্রহ করা। তারা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় কুড়ি জনকে নিয়োগ করেছে। এবার ওই কুড়ি জনের খোঁজ শুরু করেছে এনআইএ।
জানা গিয়েছে, এই ২০ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন মালদা জেলায় সংগঠন তৈরিতে রয়েছে। মালদা জেলার মধ্যে উত্তর মালদার রতুয়া, সামসি এবং বিহার সংলগ্ন হরিশ্চন্দ্রপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অর্থ সংগ্রহ ও সংগঠন প্রসারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা।ফলে এইসব এলাকায় তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে এন আইএ। পাশাপাশি কালিয়াচক থানা এলাকায় গোপিনে তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ এমনই খবর। তবে প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ আধিকারিকরা।মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিশও।


উল্লেখ্য, সম্প্রতি এমনই জঙ্গি সংগঠন তৈরি ও প্রসারের জন্যে নিযুক্ত দুজনকে রতুয়ার সামসি থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ। কয়েকদিন আগে জালনোট পাচার সহ বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত এক ব্যক্তিকে কালিয়াচক থেকে গ্রেফতার করে তাঁরা। যাকে ধরিয়ে দেওয়ার পুরস্কার মূল্য এনআইএ ঘোষণা করেছিল ২৫০০০ টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here